ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্য

পাঙ্গাশসহ সব মাছের দাম চড়া 

নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা অজুহাতে বছরের বেশিরভাগ সময় জুড়েই গরিবের মাছ হিসেবে খ্যাত পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া, চাষের কইসহ সব মাছের দাম চড়া ছিল। বছরের শেষ সময়ে এসেও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ।

আরও পড়ুন: শেয়ারট্রিপের ক্যাম্পেইন, কেনাকাটায় বিশেষ ছাড়

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কিছুদিন গরুর মাংস ৬০০/৬৫০ টাকায় বিক্রি হলেও ফের দাম বাড়িয়ে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস ১১০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ২০০ টাকা হলেও লেয়ার, কক, সোনালী মুরগির দাম বাড়তি যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা, পাঙ্গাশ প্রতি কেজি ২২০-২৪০ টাকা, চাষের কই প্রতি কেজি ২৪০-২৮০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, শোল ছোট সাইজের প্রতি কেজি ৫০০ টাকা ও মাঝারি সাইজের ৮০০ টাকা।

আরও পড়ুন: শেয়ারট্রিপের ক্যাম্পেইন, কেনাকাটায় বিশেষ ছাড়

এছাড়া প্রতি কেজি রুই ৩২০-৩৫০ টাকা, গলসা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, পাবদা প্রতি কেজি ৩২০-৩৫০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, গলদা প্রতি কেজি ৭০০-৮০০ টাকা, টাকি মাছ প্রতি কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা, কাতল মাছ প্রতি কেজি ৩০০-৩৩০ টাকা, আইড় মাছ ছোট সাইজের কেজি ৭০০ টাকা, টেঙরা মাছ ছোট প্রতি কেজি ৪৮০-৫০০ টাকা, বোয়াল প্রতি কেজি ৭০০-৭৫০ টাকা এবং রূপচাঁদা প্রতি কেজি আকার ভেদে ৮০০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার কেজি ২০০ টাকা, সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ৩৩০ টাকা, লেয়ার প্রতি কেজি ৩২০, কক প্রতি কেজি ৩২০ এবং পাতি হাঁস প্রতি পিস ৪৫০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কিছুদিন গরুর মাংস ৬০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হলেও ফের ৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। খাসির মাংসও মান ভেদে প্রতি কেজি ১১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

তবে বাজারে মাছের দাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।

মহাখালীর বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী খাদেমুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত দামের কারণে কোনো মাছই কেনা যায় না। গরিবের মাছ তেলাপিয়া, পাঙ্গাশ, চাষের কই’য়ের দামও চড়া। অন্য কোনো মাছ কেনার কথা তো ভাবাই যায় না। পাঙ্গাশ মাছও ২২০-২৪০ টাকা কেজি করে কিনতে হয়।

আরও পড়ুন: তেল-ডাল কিনছে সরকার

মালিবাগে বাজারে মাছ কিনতে আসা গার্মেন্টস কর্মী মাসুদুর রহমান বলেন, ইদানীং বাজারে এলে বাড়তি দামের কারণে মাছ কিনতে পারি না। বাজারে সবচেয়ে কম দামের মাছও এখন বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। দরদাম করে তেলাপিয়া মাছ কিনলাম, তাও ২২০ টাকা কেজি করে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর কোনো সময়ই কোনো মাছের দাম কমেনি। আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষরা কোনো মাছই তেমন কিনতে পারছি না।

আরও পড়ুন: সোনার দাম আরও বাড়ল

মাছের বাড়তি দামের বিষয়ে গুলশান সংলগ্ন লেকপাড় বাজারের বিক্রেতা জামাল উদ্দিন জানান, মাছের খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় সব ধরনের মাছের দাম চড়া যাচ্ছে। এছাড়া হরতাল-অবরোধের কারণে পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়ায়ও মাছের দাম বেড়েছিল। এরপর নতুন করে দাম কমেনি।

পাইকারি বাজারেই সব ধরনের মাছ বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। এরপর পরিবহন, শ্রমিক, রাস্তা খরচ ও দোকান ভাড়া মিলিয়ে দাম আগের চেয়ে কিছুটা বেশিই যাচ্ছে। আমাদের মাছ কেনা যখন কম দামে পড়বে, আমরাও তখন খুচরা বাজারে কম দামে বিক্রি করতে পারব।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা