আলু চাষে নারী শ্রমিকের কদর বেড়েছে। (ছবি : সংগৃহিত)
বাণিজ্য

আলু চাষে বেড়েছে নারী শ্রমিকের কদর

মো. নাজির হোসেন, মুন্সীগঞ্জ : রাজধানীর কাছের জেলা মুন্সীগঞ্জে আলু চাষাবাদে পুরুষের পাশাপাশি নারী শ্রমিকও মাঠে কাজ করছেন। এ জেলার বিস্তীর্ণ জমিতে আলু চাষে নারী শ্রমিকের কদর বেড়েছে।

আরও পড়ুন : রুহিয়া ডিগ্রী কলেজে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

তবে পুরুষদের তুলনায় নারী শ্রমিকরা পারিশ্রমিক কম পাচ্ছেন। পারিশ্রমিকে বৈষম্য থাকলেও জমিতে ব্যস্ত আলু রোপণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নারী শ্রমিকরা।

বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, তেতুলিয়া-প্রভৃতি অঞ্চল থেকে আসা নারী শ্রমিকদের আলু রোপন পারদর্শিতা পুরুষের চেয়ে কম নয়।

সরেজমিনে, জেলার সিরাজদীখান উপজেলার জৈনসার পশ্চিমপাড়া ও গোবরদী গ্রামে ঘুরে বিস্তীর্ণ জমিতে নারী শ্রমিকের আলু চাষাবাদ করার চিত্র মিলেছে।

আরও পড়ুন : ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল শুরু

নারী শ্রমিক আম্বিয়া বেগম এসেছেন উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাট থেকে। তিনি জমিতে কাজ করেই সংসার চালান। আলু মৌসুমে ছুটে আসেন মুন্সীগঞ্জে।

তিনি জানান, জমিতে সকাল ৭ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত কাজ করছেন। এতে একেকজন নারী দৈনিক পারিশ্রমিক পাচ্ছেন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। তবে পুরুষ শ্রমিক পেয়ে থাকেন ৫৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা। তিনি বলেন, আলু রোপনের কাজে কষ্ট কম। তবে মজুরী ভালোই।

লালমনিরহাটের নারী শ্রমিক লতা রানী দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমি কৃষি কাজ করে সংসার চালাই। ১১ বছর আগে আমার স্বামী মারা গেছে। তারপর থেকেই দুই সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে কৃষি কাজ করে থাকি। আলু মৌসুমে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে চাষাবাদের কাছ করি। প্রতিদিন ৪৫০ টাকা টাকা মজুরী পাই।

আরও পড়ুন : সম্পত্তি বিরোধে ৫ শিশুকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

পুরুষ ও নারী শ্রমিকের মধ্যে পারিশ্রমিকের বৈষম্য নিয়ে জানতে চাইলে জেলার সিরাজদীখান উপজেলার গোবরদী গ্রামের কৃষক মো. ইয়াসিন বলেন, জমিতে নারীর চেয়ে পুরুষ কাজ বেশী করে থাকে।

নারীরা মূলত: জমিতে কেলের মধ্যে আলু রোপণ করে থাকে। আর একজন পুরুষ আলুর বস্তা জমিতে আনা, জমি প্রস্তুত করা ও আলু বোনা-সব কাজই করে। তাই নারীর চেয়ে পুরুষের মজুরী বেশী দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : কুকুরের আক্রমণে ১৭৫ ভেড়ার মৃত্যু

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. খুরশিদ আলম জানান, জেলার ৬ টি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৩৫ হাজার ৭৯৬ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। গেলো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩৭ হাজার ৯০০ হেক্টর জমি।

তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে জেলা সদরে ৯ হাজার ৬৮০ হেক্টর, টঙ্গীবাড়িতে ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর, সিরাজদীখানে ৯ হাজার ১৯১ হেক্টর, শ্রীনগরে ২ হাজার হেক্টর, গজারিয়ায় ২ হাজার হেক্টর ১০৫ হেক্টর ও লৌহজং উপজেলায় ৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা