বাণিজ্য

পশুর হাট ঘিরে পুলিশের চিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাটকে ঘিরে বিভিন্ন পর্যায়ের নিরাপত্তা বলয় তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একইসঙ্গে করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হাট কর্তৃপক্ষ ও সিটি করপোরেশনকে পুলিশের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে কোরবানির পশুর হাটে আগত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের হাত ধোয়ার জন্য সাবান পানি ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে ইজারাদারদের। পশুর হাটে ঢোকার পথে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে। ঢাকাসহ সকল সিটি করপোরেশন এলাকা এবং দেশের অন্যান্য পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রচারণা চালানোর কথা বলা হয়েছে। পশুর হাটে আগতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হাট সংলগ্ন এলাকায় মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোরবানির পশু পরিবহন, চামড়া পাচার রোধ, জাল টাকার বিস্তার রোধ এবং ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতকে নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মহাসড়কের ওপর কোরবানির পশুর হাট বসতে না দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছে পুলিশ।

তা ছাড়া সীমান্তের বিভিন্ন পথে গবাদি পশুর প্রবেশ রোধে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হবে। কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে বিজিবিসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক থাকবে। প্রতিটি পশুর হাটে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। ইজারাদার, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা বিধানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। পুলিশ, আনসার ও র‌্যাবের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন সংগ্রহ করে হাটগুলোতে বসাতে ইজারাদারদের বলা হয়েছে। পশুর হাটে হাসিল আদায়ের ব্যবস্থা স্বচ্ছ করার জন্য দৃশ্যমান জায়গায় বড় বড় ব্যানারে ‘হাসিলের হার’ টানিয়ে রাখতে হবে।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কোরবানির পশুবাহী নৌযান ও ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গবাদি পশু বহনকারী ট্রাকে হাট ও গন্তব্যের নামের স্টিকার সংযুক্ত করতে হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম দুই সিটি করপোরেশনকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন, আফতাব নগর, রূপনগর, পূর্বাচল, খিলক্ষেত ও উত্তরা ব্রিজ সংলগ্ন ৬ নম্বর সেক্টর এলাকায় কোরবানির পশুর হাট না বসাতে। কিন্তু সিটি করপোরেশনের পশুর হাটের তালিকায় এগুলোর বেশিরভাগ জায়গাতেই হাট বসানোর জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। এবার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় দুটি স্থায়ী হাটসহ ২১টি পশুর হাট বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি দক্ষিণ সিটির এবং ১০টি উত্তর সিটি করপোরেশনের।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, বেশির ভাগ পশুবাহী যানবাহন ভারত সীমান্তবর্তী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ঢাকার বিভিন্ন হাটে প্রবেশ করে। ওই অঞ্চলগুলোতে বর্তমানে করোনার সংক্রমণের হার বেশি। একটি পশু কেনার জন্য চার-পাঁচ জন মানুষ হাঁটে আসেন। এসব বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। রাজধানীতে পশুর হাটে জাল টাকা, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে। কোরবানির পশুবহনকারী পরিবহনে চাঁদাবাজি, ওইসব যানবাহন জোরপূর্বক অন্য হাটে প্রবেশ করানো বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সান নিউজ/এফএআর

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা