উত্তরায় নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন
জাতীয়
বিআরটি’র গার্ডার দুর্ঘটনা

উত্তরায় নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন

সান নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ক্রেন ছিটকে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে নিহত পাঁচজনের মধ্যে থেকে ৪ জনের জানাজা ও দাফন জামালপুরে সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন : খুনিদের আশ্রয় দাতারাই মানবতা শেখায়

দাফনকৃতরা হলেন- ঝরনা (২৮), তার দুই শিশুসন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২) এবং বড় বোন ফাহিমা (৩৮)।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাত ১১টায় জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার আগ পয়লা গ্রামে ঝরনা, তার দুই শিশু সন্তান জান্নাত ও জাকারিয়া এবং রাত ১২ টায় জেলার ইসলামপুর উপজেলার ঢেংগারগড়ে ফাহিমার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্তানে দাফন করা হয়।

জামালপুরে তাদের নিজ নিজ গ্রামে রাত ১০ টার দিকে নিহতদের মরদেহ এসে পৌঁছে। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের বাড়িতে স্বজনসহ এলাকার শত শত মানুষ ভিড় করছিলেন। মরদেহগুলো পৌঁছাতেই পরিবারের সদস্যদের আহাজারি শুরু হয়।

আরও পড়ুন : এবার সম্পদের হিসাব দিলেন ইমরান দম্পতি

নিহতদের পরিবারের সদস্যরা জানান, বড় বোন ফাহিমার মেয়ে রিয়া মনির বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) স্বামী জাহিদ, দুই সন্তান জান্নাত ও জাকারিয়াকে নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিলেন ঝরনা। এরপর শনিবার (১২ আগস্ট) বিয়ে শেষে স্বামী জাহিদ নিজ বাড়িতে ফিরে এলেও দুই সন্তানসহ ঢাকাতেই থেকে যান ঝরনা।

সোমবার (১৪ আগস্ট) বউভাত শেষে বর-কনেসহ ফাহিমা, ঝরনা ও তার দুই সন্তান এবং বরের বাবা রুবেল মিয়া উত্তরা থেকে আশুলিয়া ফিরছিলেন। পথে ক্রেন থেকে ছিটকে গার্ডার দুর্ঘটনায় বর-কনে ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও গাড়িতে থাকা বাকি পাঁচজনই নিহত হন। তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন : নেত্রীর উদারতা বিএনপি বোঝে না

নিহত ঝরনার স্বামী জাহিদ আকন্দ জানান, আগামী শুক্রবার (১৯ আগস্ট) ঢাকায় গিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের বাড়িতে নিয়ে আসার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ এমন দুর্ঘটনায় এভাবে সবাইকে হারিয়ে ফেলব, তা কোনোদিনই ভাবিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে জাহিদের মা জবেদা বেগম বলেন, এর আগেও দুর্ঘটনায় আমার বড় ছেলেকে হারিয়েছি। আজ ছোট ছেলের স্ত্রী ও আদরের শিশু সন্তানদের চিরদিনের জন্য হারালাম। আমার হারাবার আর কিছু বাকি রইল না।

আরও পড়ুন : চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি

নিহত ঝরনা ও ফাহিমার বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, দুর্ঘটনা নয়, আমার দুই মেয়ে আর দুই নাতি-নাতনিকে হত্যা করা হয়েছে। সরকারের কাছে আমি এর বিচার চাই।

স্থানীয় আব্দুল মান্নান বলেন, তারা ভিডিওতে দুর্ঘটনার চিত্র দেখেছেন। এতে গাড়ি চালকের কোনো দোষ নেই। অসংখ্য গাড়ি সেই রাস্তা দিয়ে চলছিল।

যাদের গাফিলতির কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটল এবং একই পরিবারের এতজনের প্রাণ গেল, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ নিহতদের পরিবারকে যেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা