শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
জাতীয় প্রকাশিত ২৬ জুন ২০২১ ১২:০১
সর্বশেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২১ ১৫:০২

প্রকাশ্য জাফরুল্লাহকে হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে বক্তব্য দেয়ার সময় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হুমকি দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় এক সহসভাপতি। এ সময় তাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন সভায় উপস্থিত থাকা ছাত্রদলের নেতারা। ছাত্রদলের এক কেন্দ্রীয় নেতা জিজ্ঞাসা করেন, আপনি বিএনপির কে? বিএনপি নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলেন?

শনিবার (২৬ জুন) তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অ্যাডুকেশন রিফর্ম ইনশিয়েটিভ (ইআরআই) আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী-শিক্ষায় প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনায় সভায় এ ঘটনা ঘটে।

সভায় বিএনপিকে নিয়ে তীব্র মন্তব্য করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিএনপির ক্ষমতায় আসার ইচ্ছে নেই। ক্ষমতায় আসতে হলে ইচ্ছে-আগ্রহ থাকতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে পরিকল্পনা করতে হবে যে কোন কোন জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি বারবার বলেছি- তারেক তুমি দুই বছর চুপচাপ বসে থাকো। পারলে বিলেতে (বিদেশ) লেখাপড়ায় যুক্ত হয়ে যাও, সেখানে বহুভাবে লেখাপড়া হয়।

বিএনপির শরিক জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ‘উল্টাপাল্টা’ বক্তব্য রাখেন বলে অভিযোগ করে ওমর ফারুক কাউসার নামে এক নেতা বলেন, ‘আপনি আমাদের নেতাকে নিয়ে কথা বলবেন না। যদি বলেন, পরবর্তী সময়ে কিছু হলে কিন্তু আমরা দায়ী না।’

জবাবে জাফরুল্লাহ বলেন, না কেউ না। এটা তো গণতন্ত্রে আমার বলার অধিকার আছে। তখন ছাত্রদলের ওই নেতা বলেন, না। আপনি অন্যদের নিয়ে বলুন। আমাদের নেতা সম্পর্কে বলছেন, আপনি তো বিএনপির কেউ না।

তখন ওমর ফারুক কাওছার বলেন, না না আমরা অবশ্যই বুঝি। আপনি আপনারটা বুঝেন, আমরা আমাদেরটা বুঝি। আপনি আমাদের নেতাদের নিয়ে কখনো কথা বলবেন না। কখনোই কথা বলবেন না। আর যদি কখনো কথা বলেন, কিছু হলে আমরা দায়ী থাকব না। আপনি জয়কে (সজিব ওয়াজেদ জয়) নিয়ে বলেন, শেখ হাসিনাকে (প্রধানমন্ত্রী) নিয়ে বলেন। এসব কথা বলার পর ছাত্রদলের নেতারা চলে যান।

পরে ওমর ফারুক কাওছারের প্রসঙ্গ টেনে ডা. জাফরুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, ওখানে (আওয়ামী লীগে) তারা করছে এক ব্যক্তির বন্দনা। এখানেও কিছুক্ষণ আগে যে ঘটনা ঘটল, সেটাতেও এক ব্যক্তির বন্দনা। এভাবে এক ব্যক্তির বন্দনা জাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করা যায় না, বিশেষ করে আমার মতো লোককে ভয় দেখিয়ে কণ্ঠ রোধ করা যায় না। আমি যেটা ভালো মনে করব, জাতির জন্য যা প্রয়োজন মনে করব, আমি বলেই যাব। সেটা কারো পছন্দ হোক বা নাই হোক।

সাননিউজ/ জেআই

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা