জাতীয়

শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ আজ

নিজস্ব প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা– বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ আজ।

রোববার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের আদালতে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে।

আজ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিবাহী সদস্য সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী, আওয়ামী লীগ নেতা সরদার মুজিবসহ বেশ কয়েকজন সাক্ষ্য দিবেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত। সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত এই মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা থেকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীরসহ ৫ সদস্যের একটি দল সাতক্ষীরায় অবস্থান করছেন।

আজ তৎকালিন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী, ফটো সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম জীবনসহ কয়েকজন সাক্ষীকে জেরা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ জানান, এর আগে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনের চেম্বার জজ আদালতে লিভ টু আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্য্য হওয়ায় তারা কোন সাক্ষীর জেরা করেননি।

এদিকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস.এম মুনীর জানান, গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলার অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলার আপিল খারিজ হওয়ায়– এর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ এখন আর নেই। ফলে এ মামলার কার্যক্রম চলতে আইনগত আর বাধা নেই।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতা এক নারীকে দেখতে যান। ঢাকায় ফেরার পথে কলারোয়া বিএনপি অফিসের সামনে তার গাড়ি বহরে হামলা হয়। এরপর ২০১৫ সালের ১৭ মে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ জনকে সাক্ষী করে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শেখ সফিকুর ইসলাম।

সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আসামিপক্ষের আবেদনে মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দেন উচ্চ আদালত। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চতর আদালত চলতি বছরের ২২ অক্টোবর মামলাটির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নথি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে নির্দেশ দেন। এরই অংশ হিসেবে বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রম অব্যহত আছে।

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা