রাজনীতি

ফোনে মেসেজ ‘সাবধানে বাসায় আসবেন!’

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৮ অক্টোবরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘিরে দেশের রাজনীতির মাঠ ছিল উত্তপ্ত। পরদিন (২৯ অক্টোবর) বিএনপির মহাসচিবসহ অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের পর ‘আগুনে ঘি ঢালার মতো রাজনৈতিক পরিবেশ আরও ফুঁসে উঠেছে। একদিকে চলছে দেশজুড়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণ গ্রেফতার, অন্যদিকে প্রতিবাদে টানা তিন দিনের মতো হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো।

আরও পড়ুন: খাগড়াছ‌ড়ি‌তে উত্তাপহীন বিএনপির অব‌রোধ

দেশের বর্তমান রাজনীতির সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সম্প্রতি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

টকশোর একপর্যায়ে উপস্থাপকের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রুমিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, টেক ব্যাক বাংলাদেশের নামে বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে কিনা?

জবাবে ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, আমি এখন আপনার টকশোতে কথা বলছি, ঠিক সেই মুহূর্তে আমার বাসার নিচে ১০০ জনের মতো আওয়ামী গুণ্ডা জড়ো হয়েছে। যারা বীভৎস ভাষায় গালাগাল করছে। আমার বাসার দিকে ইঙ্গিত করে। আমাকে এই মাত্র বাসার লোকজন ভিডিও করে পাঠাল। একই সঙ্গে আমাকে মেসেজ দিল— আপনি সাবধানে বাসায় আসবেন। এই হচ্ছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, তারা আমাদের মহাসচিবকে গ্রেফতার করেছে। শুধু তাই নয়, শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বাড়ি তল্লাশি করে তছনছ করেছে এবং তাদের না পেয়ে আত্মীয়স্বজনদেরও গ্রেফতার করছে। যারা কোনো দিন রাজনীতিতে জড়িত ছিল না। আমি একজন নারী রাজনৈতিক কর্মী। আমার বাসার নিচে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নোংরা ভাষায় গালাগাল করছে— এটা কোনো সভ্য দেশের রাজনীতি?

আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ চলছে

উপস্থাপক টকশোর একপর্যায়ে বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে— সহিংসতায় যারা জড়িত শুধু তাদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, তা হলে তো আগে আওয়ামী লীগের সবাইকে গ্রেফতার করা উচিত। হামলা হয়েছে পুলিশের হাসপাতালে অর্থাৎ পুলিশের জায়গায়, পুলিশের যে গাড়িতে রিকুইজেশন দেওয়া ছিল, সেই গাড়িতে। গাড়ির ড্রাইভার বলছে— ডিবির পরিহিত পোশাকে আগুন লাগিয়েছে।

যা কিছু বহন করার, সব সুযোগ পেয়েছে আওয়ামী লীগ। কারণ আওয়ামী লীগের কোনো গাড়ি বা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়নি।

কিন্তু বিএনপির ক্ষেত্রে মোড়ে মোড়ে, বাড়ি বাড়ি, কোনায় কোনায় তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। তা হলে বিএনপি কি করে সংঘর্ষের জিনিস নেবে। পুলিশ পিটিয়েছে কে? সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে কে? একজন সাংবাদিক পুলিশের টিয়ারশেলের আঘাতে মারা গেলো তার ব্যাপারে তো কোনো কথা নেই।

তিনি আরও বলেন, খুব অদ্ভুদ কাণ্ড— যুবলীগ কর্মীকে বিএনপির মহাসমাবেশে পাওয়া গেছে। তা হলেই বিষয়টি বুঝে নিন এ ঘটনা গুলো কারা ঘটিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত।

সান নিউজ/টিও

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা