রাজনীতি

১০০ শিশুশিল্পীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে এক শ’শিশু শিল্পীকে কাজের স্বীকৃতি দিলো আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে গত বছর মার্চ মাসে। রং তুলিতে বঙ্গবন্ধু ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগে প্রায় এক হাজার শিশু শিল্পী অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিদের ভেতর থেকে চারুকলা ইন্সটিটিউটের শিক্ষকরা এক শ’জন শিশু শিল্পীকে বিজয়ী ঘোষণা করে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষর সম্বলিত সনদ তুলে দেয়।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার জাতীয় যাদুঘরে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসা মুজিব মিলনায়তনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার প্রতিযোগিদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। বিজয়ী শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া সনদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষর রয়েছে।

বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্বে ও আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ। ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী, চিত্র শিল্পী সাহাবুদ্দিন আহমেদ ও ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান শেষে মতিয়া চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা যে কথা বলতেন সে কথা তিনি বিশ্বাস করতেন। তিনি বলতেন, ফাঁসির মঞ্চে গিয়েও আমি বলবো বাংলা আমার ভাষা; আমি বাঙালি। এটা শুধু উনার বক্তৃতার ভাষা ছিল না, এটা ছিল উনার হৃদয় উৎসারিত সারা জীবনের তপস্যা।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বললে তিনি গৌরবান্বিত হন না, আমরাই গৌরবান্বিত হই। আমরা ধন্য হই। আমরা সেই রাজনৈতিক দীক্ষার পথে তিল পরিমাণ হলেও এগিয়ে যাই। জাতির পিতা আপনি আকাশের কোন তারা হয়ে আছেন আমরা জানি না, ধ্রুবতারার চেয়েও আরও উজ্জ্বল তারা আপনি আমাদের কাছে।

ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশের শিশুরা ছবি আঁকতে শিখেছে এটাই আমাদের গর্বের। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ছবি এঁকেছে, তাঁর অর্থ বঙ্গবন্ধু তাদের বুকে গেঁথে গেছে। এই প্রতিযোগিতার আয়োজনে আমি ভীষণ খুশী হয়েছি।

শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশুদের প্রতি জয় বাংলা শুভেচ্ছা রইলো। আওয়ামী লীগকে ধন্যবাদ দিচ্ছি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা প্রমাণ মিলেছে। তোমাদের প্রতি অসংখ্য ভালোবাসা রইলো। আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালি, আওয়ামী লীগ মানেই বাংলাদেশ। বাঙালীদের রক্তে রয়েছে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি। এটা আমাদের জন্য গর্বের।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিজয়ীদের শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।


সাননিউজ/জেআই

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা