ছবি : সংগৃহিত
আন্তর্জাতিক

ভারতকে বুকে টানছে যুক্তরাষ্ট্র?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওয়াশিংটন বেইজিংকে দেখিয়ে দিল্লিকে বুকে টেনে নিয়ে আলিঙ্গন করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিশেষ আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরে এমন চিত্রই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। চলমান বিশ্বে আমেরিকার অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন।

আরও পড়ুন: ওয়াগনারকে দমনের ঘোষণা দিলেন রমজান

ভারত ও চীনের সম্পর্কের টানাপোড়েন বহুদিনের। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছাড়াও মোদির এ সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ কূটনৈতিক স্বার্থও রয়েছে।

শনিবার (২৪ জুন) এক বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনে সে চিত্রই তুলে ধরেছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

গণতন্ত্রের আঁতুড়ঘর খ্যাত বিশ্বমোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘মুসলিমবিদ্বেষী’ সমালোচনা সত্ত্বেও হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের কর্তৃত্ববাদী ধারার বিষয়টিতে চোখে পড়ার মতোই গাছাড়া ভাব দেখিয়েছে।

আরও পড়ুন: বিজেপি এলে কোনো নির্বাচন হবে না

চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে মার্কিন ‘শত্রু’ রাশিয়ার সঙ্গেই ভারতেরই সখ্যতা বেশি। তবুও কেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ?

মুখ খুলতেই দুই ঠোঁটের মাথায় এসে পড়া সহজ প্রশ্ন থেকেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে আরেক নতুন প্রশ্ন? শুধু চীনকে দেখাতেই কি তাহলে এত আয়োজন?

হাডসন ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অর্পণা পান্ডে এ বিষয়ে বলেছেন, ‘বাইডেন আশা করছে চীনকে একটি বার্তা পাঠানোর, আপনার লোক আছে এবং আমারও লোক আছে। ভারত আমার সঙ্গেই আছে।

আরও পড়ুন: উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশ

অর্পণা পান্ডে জানান, ‘বাইডেন বিশ্বকে আরও বলার চেষ্টা করছে- আমেরিকা ফিরে এসেছে। আমাদের অংশীদার এবং মিত্র রয়েছে। আমরা ভারতকে আমাদের পাশে পেয়েছি।’

ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউশনের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান এ বিষয়ে বলেছেন, ‘এটি খুবই বিড়ম্বনার বিষয় যে, যুক্তরাষ্ট্র গণতান্ত্রিক ভারতের সঙ্গে কর্তৃত্ববাদী চীনের পার্থক্যও করতে চায়। দুই নেতা যা চেয়েছেন তাই পেয়েছেন। তারা এমন একটা অংশীদারত্বে পৌঁছেছে যা দেখানোর জন্য তারা আগ্রহী ছিলেন।’

চীনকে বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ হিসাবে বিবেচনা করে জো বাইডেন সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই প্রকাশ্যে চীন ফ্যাক্টরকে আলোচনায় রেখেছে।

আরও পড়ুন: শি জিনপিং ‘স্বৈরশাসক’ নন

তবে কংগ্রেসের ভাষণে মোদি স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি আইন প্রণেতাদের ‘মুক্ত, উন্মুক্ত এবং ইন্দো প্যাসিফিক’ বিষয়গুলোকে সমর্থন করে।

ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল যা বিশ্বের জনবহুল দেশ চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। চীনের সঙ্গে ভারতের দ্বন্দ্বও দীর্ঘকালের। ভারতের জনগণও ব্যাপকভাবে নেতিবাচক হিসাবে দেখে চীনের সঙ্গে ভারতের এ দ্বন্দ্বকে।

প্রসঙ্গত, রাশিয়া ও চীন অ্যান্টার্কটিকার নতুন সুরক্ষিত এলাকাগুলো প্রতিরোধ করছে। এই অঞ্চলগুলো পেঙ্গুইন, সীল, টুথফিশ, তিমি এবং বিপুলসংখ্যক ক্রিলের বাসস্থান। তারা জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় এবং বাস্তুতন্ত্র রক্ষার জন্য প্রায় চার মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার সমুদ্রকে রক্ষা করবে।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা