ছবি : সংগৃহিত
আন্তর্জাতিক

উপকূল থেকে ৬০০ অভিবাসী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউরোপে উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর হয়ে সাগর পথের বিপজ্জনক যাত্রায় থাকা প্রায় ৬০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

আরও পড়ুন : ১৫০০ জলবায়ু কর্মী আটক

শনিবার (২৭ মে) ইতালির সিসিলি দ্বীপের নিকটবর্তী একটি নৌকা থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। নৌকাটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছিল।

শনিবার (২৮ মে) রাতে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ইতালির সিসিলি দ্বীপের কাছে অতিরিক্ত আরোহীতে উপচে পড়া বিপদাপন্ন একটি নৌকায় যাত্রা করা প্রায় ৬০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : ৫২.৭ ভাগ ভোট পেয়ে জয়ী হবেন!

আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)-এর পরিচালিত একটি জাহাজে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে সংস্থাটি টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে।

এমএসএফ সংস্থাটি বলছে, তাদের জিও ব্যারেন্টস নামের ওই জাহাজটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় উদ্ধার কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়।

এক টুইট বার্তায় সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘তিন ঘণ্টার অপারেশনের পর নারী ও শিশুসহ ৫৯৯ জন জীবিত অভিবাসীকে নিরাপদে উদ্ধার করে জাহাজে নেওয়া হয়েছে... এবং মেডিকেল টিম এখন তাদের যত্ন নিচ্ছে।

আরও পড়ুন : কিয়েভে ব্যাপক ড্রোন হামলা

এমএসএফ জানিয়েছে, ইতালিয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে উদ্ধারকৃত অভিবাসীদের দক্ষিণাঞ্চলীয় বারি বন্দরে নামানো হবে। বন্দরে পৌঁছাতে প্রায় ৪০ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে তারা জানিয়েছে।

এদিকে সরকারপ্রধান জর্জিয়া মেলোনির ইতালিয় প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো জর্জিয়া মেলোনির প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেছে, অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয় এমন এলাকা থেকে প্রায়শই অনেক দূরের বন্দর বরাদ্দ করে ইতালীয় সরকার।

ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত রেকর্ডসংখ্যক ৪৭ হাজারেরও বেশি অভিবাসী ইতালিতে পৌঁছেছেন।

আরও পড়ুন : ভারতের নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন

পরিসংখ্যান সূত্র অনুযায়ী ২০২২ সালের একই সময়সীমায় এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮ হাজার।

প্রসঙ্গত, সমুদ্রপথে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য ইতালি অন্যতম প্রধান এক প্রবেশপথ। কেন্দ্রীয় ভূমধ্যসাগরীয় এই রুটটি বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর হিসেবে পরিচিত।

বিশ্ব অভিবাসন সংস্থার মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রোজেক্টের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে মধ্য-ভূমধ্যসাগরে ২০ হাজারেরও অধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা