প্রতীকী ছবি
আন্তর্জাতিক

জ্বালানিতে চীনের রেকর্ড!

সান নিউজ ডেস্ক: গত মাসে চীন রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করেছে। এসময় দেশটির মোট জ্বালানি পণ্য আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ডলারে।

আরও পড়ুন: নেপালে ভূমিধসে নিহত ১৭

জানা গেছে, ক্রুড তেল, গ্যাস ও কয়লার জন্য বেইজিং ক্রমেই মস্কোর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াচ্ছে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চীনের শুল্ক পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে চীন রাশিয়া থেকে যে পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করেছে তা গত বছরের তুলনায় ৬৮ শতাংশ বেশি। ইউক্রেনে হামলার পর অর্থাৎ গত ছয় মাসে চীন মোট চার হাজার ৪০০ কোটি ডলারের জ্বালানি পণ্য আমদানি করেছে রাশিয়া থেকে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রেরও ভুল আছে

যদিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এদিকে অর্থনৈতিক মন্দা ও করোনা নীতির কারণে এ বছর চীনের জ্বালানি আমদানি কমেছে। কারণ চাহিদা আগের থেকে কম। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে রাশিয়া ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বেড়েছে বহু গুণ।

বলা হয়, গত মাসে অর্থাৎ আগস্টে চীনে ৮ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন টন তেল রপ্তানি করে রাশিয়া। জুলাইতে এর পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ১৫ মিলিয়ন টন। এক বছর আগে রপ্তানি করে মাত্র ৬ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন টন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে চীন সবচেয়ে বেশি আমদানি করে সৌদি আরব থেকে। আসন্ন মাসগুলোতে চীনে আরও জ্বালানি পণ্য রপ্তানি করতে চায় রাশিয়া।

আরও পড়ুন: মহামারি কাটিয়ে চাঙ্গা যুক্তরাষ্ট্র !

এর আগে ইউক্রেনে হামলার পর রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পশ্চিমা বিশ্ব। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। তাছাড়া ইউরোপও চাচ্ছে রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে। এমন পরিস্থিতিতে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। বেড়েছে আমদানি-রপ্তানি।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহীদের দুই রাষ্ট্র ‘দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক’ ও ‘লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক’কে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি রক্ষায় ওই অঞ্চলে সেনাবাহিনী পাঠায় রাশিয়া।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সহায়তার লক্ষ্যে মস্কো স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী নিত্য পণ্যের দাম বেড়ে যায় যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে জার্মানিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করে জার্মানিসহ পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনীতির চেহারা। নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি, ভোজ্য তেল, গ্যাস ও কয়লাসহ খাদ্যশস্যের আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। বিভিন্ন দেশে দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতি।

৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। সম্প্রতি খারকিভে পাল্টা প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলে ইউক্রেনের সেনারা। ইউক্রেনের দাবি, ক্রেমলিনের সেনারা পিছু হটছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইউক্রেন। দেশটির উত্তর-পূর্বে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বেড়াজালকে ভেঙে ফেলেছে তারা।

সান নিউজ/এনকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা