অবশেষে টুইটার-ভারত দ্বন্দ্ব আদালতে
আন্তর্জাতিক

অবশেষে টুইটার-ভারত দ্বন্দ্ব আদালতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মাইক্রো-ব্লগিং সাইট টুইটারকে ভারত সরকার তাদের প্লাটফর্ম থেকে কিছু কনটেন্ট সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয়ার পর এর বিরুদ্ধে আদালতে গেছে সামাজিক যোগাযোগের এ মাধ্যমটি।

আরও পড়ুন : স্বর্ণের দাম কমছে ভরিতে ১১৬৬ টাকা

ভারতের হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকার যেসব দাবি জানাচ্ছে, সেগুলো হয় স্বেচ্ছাচারী অথবা খুব বেশি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পড়ে বলে জানিয়েছে টুইটার।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে টুইটারের দ্বন্দ্ব চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই।

ইন্ডিয়ান কর্তৃপক্ষ বিগত কয়েক বছরে বেশ কিছু পোস্ট টুইটারকে তাদের প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে স্বাধীন শিখ রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থন জানানো পোস্ট থেকে শুরু করে, কৃষকদের আন্দোলন সম্পর্কে কথিত মিথ্যাচার, এবং কোভিড মোকাবেলায় ভারত সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনামূলক অনেক পোস্ট ছিল।

আরও পড়ুন : কমেছে শনাক্ত ও মৃত্যু

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাদেরকে ভারতে অনেকগুলো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে বলা হয়। এর মধ্যে দেশটির সুপরিচিত মুসলিম সাংবাদিক এবং সমালোচক রানা আইয়ুব এবং পাকিস্তানি সরকারের পরিচালিত কিছু অ্যাকাউন্টও রয়েছে বলে জানায় টুইটার।

এগুলোর বিরুদ্ধে যে টুইটার এখন আদালতের শরণাপন্ন হলো, তাতে বোঝা যায় ভারত সরকারের সাথে তাদের দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হচ্ছে।

ভারত সরকার যখন এসব নির্দেশ জারি করেছিল, তখন মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সরব অধিকার কর্মীরা এর তীব্র সমালোচনা করেন। কিন্তু দেশটির সরকারের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে ইন্ডিয়ান আইন মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুন : ফাঁসির আসামি ফয়সাল বেঙ্গালুরুতে

গত বছর কৃষকদের তীব্র আন্দোলন যখন ভারতে চলছিল, তখন সরকারের আইনি নোটিশের পর টুইটার প্রায় আড়াই শ’টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছিল। সরকার জন-শৃঙ্খলার কথা বলে এসব অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছিল।

এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে অনেক অনুসন্ধানী সংবাদ সাময়িকী, অধিকার কর্মী ও গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্ট ছিল। দিল্লির বাইরে কৃষকদের যে অবরোধ ছিল, তার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছিল এরা।

তবে বন্ধ করার ছয় ঘণ্টার মধ্যেই টুইটার আবার এসব অ্যাকাউন্ট চালু করে। তখন তারা বলেছিল, এসব একাউন্ট বন্ধ রাখার যথেষ্ট যুক্তি নেই।

আরও পড়ুন : বিশ্ব এখন ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে

গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে টুইটারকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তারা ভারতে ব্যবসা করতে চাইলে স্বাগতম, কিন্তু সেটা করতে হবে ভারতীয় আইন-কানুন মেনে।

এ বছরের মে মাসে দিল্লিতে টুইটারের অফিসে পুলিশ যাওয়ার পর টুইটার ভারতে মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

ভারতের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনি বৈষ্ণব মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এএনআইকে বলেন, ‘একটা কোম্পানিই হোক, বা যেকোনো সেক্টরই হোক, তাদেরকে ভারতের আইন মেনে চলতে হবে।’

ভারত সরকার এর আগে বলেছিল, টুইটারসহ বড় সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে কনটেন্ট সরিয়ে নেয়ার যে অনুরোধ করা হয়েছিল, সেটা তারা মানেনি। এরপর গত মাসের শেষের দিকে ভারতের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় টুইটারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়।

আরও পড়ুন : বিরতিহীন হামলা চালাচ্ছে রুশ বাহিনী

ভারত সরকার তাদের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বলে জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলার কথা বলে যেকোনো অনলাইন কনটেন্ট ব্লক করে দিতে পারে।

প্রসঙ্গত, ভারতে টুইটার ব্যবহার করেন প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বলে জানিয়েছে বৃটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা