ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘকে আঙুল দেখিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট

সান নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সফরের সময় কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জাতিসংঘকে ‘আঙুল’ দেখিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটসকো। শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: রাশিয়ার যুদ্ধ আফ্রিকায় খাদ্য সংকট সৃষ্টি করেছে

বলা হয়েছে, রাশিয়াও কিয়েভে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাতভর হামলা চালানো হয়েছে দাবি করেছে মস্কো। যদিও শুধু সামরিক স্থাপনা বিশেষত মিসাইল কারখানায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে মস্কো দাবি করেছে।

গত ১৪ এপ্রিল রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিটের ফ্ল্যাগশিপ যুদ্ধজাহাজ মস্কভা মিসাইল ক্রুজার ডুবির পর ইউক্রেনের রাজধানীতে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর চলাকালে কিয়েভে হামলা

বৃহস্পতিবার রাতে রাশিয়া যে অস্ত্র কারখানায় হামলা চালিয়েছে সেখানে নেপচুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়। আর ওই নেপচুন ক্ষেপণাস্ত্রই মস্কভা মিসাইল ক্রুজারে আঘাত হেনেছিল বলে দাবি করেছিল ইউক্রেন। তাই ওই মিসাইল কারখানায় হামলাকে কাকতালীয় বলে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

তবে পুতিন জানতেন জাতিসংঘের মহাসচিবের সফরের সময় কিয়েভকে আঘাত করে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছেন।

পুতিন বিশ্বের হর্তাকর্তা এবং সংস্থাগুলোকে এই বার্তাই দিতে চান যে, তিনি তাদের মোটেই পাত্তা দিতে চান না। পুতিন তাদের এটাই বোঝাতে চান যে তিনি যা চান তাই করবেন। এবং তাকে থামানোর ক্ষমতা কারো নেই।

আরও পড়ুন: রাশিয়া বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে

এদিকে, রাশিয়া শুধু সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করলেও কিয়েভে রাশিয়ার মিসাইল হামলায় রেডিও লিবার্টি ইন ইউক্রেনের সাংবাদিক ভেরা গাইরিচ নিহত হয়েছেন বলে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

এর আগে ভিটারি ক্লিটসকো জানিয়েছিলেন, গতরাতের মিসাইল হামলায় একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহতের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

আরও পড়ুন: ইথিওপিয়ায় সশস্ত্র হামলায় ২০ মুসল্লির মৃত্যু

প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহীদের দুই রাষ্ট্র ‘দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক’ ও ‘লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক’কে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি রক্ষায় ওই অঞ্চলে সেনাবাহিনী পাঠায় রাশিয়া।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সহায়তার লক্ষ্যে মস্কো স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।

সান নিউজ/এনকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা