বিনাশর্তে এফ-৩৫ জঙ্গী বিমান চায় তুরস্ক
আন্তর্জাতিক

বিনাশর্তে জঙ্গী বিমান চায় তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিনাশর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেট্রিয়ট চাইল তুরস্ক।

আরও পড়ুন : জাতীয় গণহত্যা দিবস

রাশিয়া থেকে কেনা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ ইউক্রেনকে দেওয়ার পরামর্শ দিলে তুরস্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ দাবি করে। এ সংবাদ জানিয়েছে হুরিয়াত ডেইলি।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের যোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা ফাহরেত্তিন আলতুন এ দাবি জানিয়েছেন।

মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে লেখা একটি প্রবন্ধে আলতুন আমেরিকার প্রতি এ আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন : ইউক্রেনের পক্ষে ভোট দিয়েছে বাংলাদেশ

রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ ইউক্রেনকে দেওয়ার পরামর্শ দেয় তুরস্ককে। এর জবাবেই এরদোগানের যোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা ফাহরেত্তিন আলতুন মার্কিন পত্রিকায় পাল্টা দাবি জানিয়ে এ কলাম লেখেন।

মূলত তুরস্কের বিমানবহর পুরোটাই আমেরিকার যুদ্ধবিমান দিয়ে সাজানো। এদের মধ্যে আছে— এফ-৪ ও এফ-১৬।

আরও পড়ুন : হিলারির বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলা

১৯৭৪ সালে এফ-৪ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করে তুরস্ক এবং ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এই বিমানগুলো সরবরাহ করে আমেরিকা। এই লম্বা সময় ধরে কয়েকশ এফ-৪ যুদ্ধবিমান পায় তুরস্ক। এর বেশিরভাগই এখন সার্ভিসে নেই।

বাকিগুলো ২০২০ সালের দিকে সার্ভিস থেকে অবসর নেওয়ার কথা। কিন্তু এগুলোকে বারবার মডার্নাইজেশন করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এদের জীবনকাল দীর্ঘায়িত করতে চায় তুরস্কের সেনাবাহিনী। এমনকি এগুলোকে আরেকটু ঘষেমেজে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্যবহার করতে চায় দেশটি।

আরও পড়ুন : টিপুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে

অপরদিকে তুরস্কের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। তখন আমেরিকার সঙ্গে ১৬০টি বিমান কেনার চুক্তি হয়। এদের আটটি আমেরিকায় এবং ১৫২টি তুরস্কে উৎপাদনের কথা থাকে সে চুক্তিতে।

১৯৮৭ সালে তুরস্কের এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ আমেরিকার সঙ্গে একত্রে এ বিমানগুলো উৎপাদন শুরু করে তুরস্কে।

আরও পড়ুন : নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪

শুরুর দিকের কাজগুলোকে বিমান তৈরি বলার চেয়ে বরং আমেরিকা থেকে সব যন্ত্রাংশ নিয়ে এসে তুরস্কে সেট করা বলা যায়। পরে আমেরিকা থেকে লাইসেন্স নিয়ে তুরস্কেই উৎপাদন করতে থাকে এ বিমানগুলো।

দেশীয়ভাবে উৎপাদন করে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ও সফটওয়্যার। ১৯৮০-৯০ সালের মধ্যে ২৩২টি ব্লক ৩০/৪০/৫০ মডেলের এফ-১৬ তৈরি করে তারা।

আরও পড়ুন : নিখোঁজ স্কুল ছাত্রের লাশ মিলল পুকুরে

এভাবে তুরস্কের বিমানবহর সজ্জিত হয় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে। তুরস্কের বিমানবাহিনীকে সর্বশেষ এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করা হয় ২০১২ সালে।

প্রসঙ্গত, তুর্কি সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বাবদ ২০১৯ সালে ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করে । কিন্তু রাশিয়া থেকে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ কিনায় টাকা পরিশোধ করার পরও ক্ষুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিতে অস্বীকৃত জানায়।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা