স্বাস্থ্য

মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনা মহামারি থেকে বাঁচতে মাস্কের বিকল্প নেই বলে বারবার সতর্ক করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ নিয়ে কয়েক দফা নির্দেশনাও দিয়েছে সংস্থাটি। অথচ ভ্যাকসিনের খবরে মাস্কের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে মানুষ।

রোববার (২০ ডিসেম্বর) নতুন নির্দেশনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জোর দিয়ে বলেছে, কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যক জনগোষ্ঠী যতদিন ভ্যাকসিন না পাবে, ততদিন মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। সংস্থাটি আরও বলেছে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মাস্ক পরাতে হবে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাস্ক বিষয়ক নতুন নির্দেশনায় বলেছে, মাস্ক পরা বা খোলার সময় অবশ্যই হাত পরিষ্কার করে নিতে হবে। চিবুকের কাছে মাস্ক নামিয়ে রাখা যাবে না। পুনরায় ব্যবহার করতে হলে মাস্কটি খুলে একটি পলিব্যাগে রাখতে হবে। আবার হাত বা কবজির পাশে ঝুলিয়েও রাখা যাবে না বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানায়, মাস্ক পরেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। বাড়িতে আসা অতিথির সঙ্গেও কথা বলার সময় মাস্ক পরতে হবে। নষ্ট হয়ে যাওয়া মাস্ক ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক পরার পর মুখের কোনও পাশে যেন ফাঁকা না থাকে সে নিয়েও সতর্কতা দিয়ে সংস্থাটি বলেছে, যদি কোনও কারণে মাস্ক বা মুখের কোনও জায়গা স্পর্শ করতেই হয়, তবে তার পর হাত নিয়ম মাফিক পরিষ্কার করে নিতে হবে। কোনও কারণে মাস্ক ভিজে গেলেও তা ফেলে দিতে হবে।

একইভাবে মাস্ক খোলার সময়েও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মাস্ক খুলতে হবে কানের পাশের ফিতে (লুপ) ধরে। যেসব মাস্ক পুনরায় ব্যবহারযোগ্য, সেগুলো প্রতিদিনই পরিষ্কার করতে হবে। কাপড়ের মাস্ক দিনে অন্তত একবার সাবান-পানি অথবা ডিটারজেন্ট দিয়ে গরম পানিতে ধুতে হবে, অথবা দশমিক এক শতাংশ ক্লোরিন মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে এক মিনিটের মতো রেখে পরে স্বাভাবিক পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

৫ বছরের কমবয়সী শিশুদের মাস্ক পরানোর প্রয়োজন নেই জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে। মাস্ক পরায় শিশুদের ক্ষতি হতে পারে। ৬ থকে ১১ বছরের শিশুদেরকে বড়দের উপস্থিতিতে মাস্ক পরাতে হবে। ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকেই মাস্ক পরতে হবে বলে বাধ্যবাধকতা দিয়েছে সংস্থাটি।

মাস্কের গুরুত্বের জানিয়ে করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ভালো মাস্ক তৈরির জন্য দেশে গবেষণা হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, কোনও কিছু সহজে পাওয়া গেলে তার গুরুত্ব কমে যায়। মাস্ক দিয়েতো কেবল করোনা ভাইরাস নয়, শীতের সময় অনেক এ্যাজমা রোগীও ধুলার হাত থেকে বাঁচতে পারে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান খসরু বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে খুব আগ্রহ জন্মেছে। কিন্তু মাস্ক ছাড়া ভ্যাকসিনকে অসম্পূর্ণ বলা যায়।

সান নিউজ/এসএ

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা