শিক্ষা

সামিয়া রহমানের কাছে ১১ লাখ টাকা দাবি

সান নিউজ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানের কাছে পাওনা হিসেবে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ৷ তবে সামিয়া রহমান বলছেন, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ‘প্রতিহিংসা’।

আরও পড়ুন: স্ত্রী ও শ্যালিকাকে যৌনপল্লিতে বিক্রি

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক চিঠিতে সামিয়া রহমানকে বলা হয়, ‘৩১ মার্চের চিঠির বরাতে ও ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে জানানো যাচ্ছে যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে আপনাকে দেনা-পাওনা সমন্বয় সাপেক্ষে ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে বিধি অনুযায়ী আগাম অবসর গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আপনার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা টাকা পরিশোধ না করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷ আপনার প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদসহ জমা আছে ১৬ লাখ ৫৮ হাজার ২১৬ টাকা৷

আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র চালাচ্ছে

এদিকে, সামিয়া রহমানের দাবি, ৪ আগস্ট তার পক্ষে আদালতের রায় আসার পর গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে এক ই-মেইলে তাকে পাওনা চেয়ে ওই চিঠি পাঠানো হয়৷ যদিও চিঠিতে তারিখ লেখা রয়েছে ৩ আগস্ট৷ সামিয়া রহমান বলছেন, ৩ আগস্টের চিঠি ৮ আগস্ট পাঠানোর পেছনে কোনো যুক্তি থাকতে পারে না৷ কিসের ভিত্তিতে পাওনা দাবি করা হলো, তা–ও চিঠিতে উল্লেখ নেই৷ উচ্চ আদালতে রিটে হেরে গিয়ে প্রতিহিংসাবশত তাকে হয়রানি করার জন্যই এ চিঠি দেওয়া হয়েছে৷ এর বিরুদ্ধেও তিনি আদালতে যাবেন৷ সেখানেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হারবে বলে তার বিশ্বাস৷

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সামিয়া রহমান তিনি বলেন, বেতন-ভাতাসহ অর্জিত ছুটি প্রতিটি মানুষের অধিকার৷ এখনো আমার অর্জিত ছুটি রয়ে গেছে৷ সবচেয়ে বড় কথা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অবসর দিচ্ছে৷ কিন্তু উচ্চ আদালত তো আমাকে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে সব সুযোগ-সুবিধা দিতে বলেছেন৷ আমি অবসর নিলে নেব সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে৷

আরও পড়ুন: বিএনপি’র বিদায়ের সময় এসেছে

অন্যদিকে, হিসাব পরিচালকের দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আপনার দেনা ১১ লাখ ৪১ হাজার ৬০১ টাকা৷ এই দেনা জনতা ব্যাংকের টিএসসি শাখায় জমা দিয়ে তার রসিদ রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দিতে হবে।’

এর আগে গবেষণা নিবন্ধে ‘চৌর্যবৃত্তির’ অভিযোগে শাস্তি হিসেবে গত বছরের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে দুই বছর পর্যন্ত সহকারী অধ্যাপক রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সামিয়া রহমান গত বছরের ৩১ আগস্ট উচ্চ আদালতে রিট করেন৷ ৪ আগস্ট উচ্চ আদালত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ওই সিদ্ধান্তকে ‘আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত’ বলে রায় দেন৷

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র কোনো দলকে সমর্থন করে না

এর মধ্যে চার মাসের অর্জিত ছুটি (আর্নড লিভ) নিয়ে গত বছরের শেষ দিকে সামিয়া রহমান বিদেশে যান৷ ছুটির মেয়াদ শেষ হয় গত ৩১ মার্চ। ওই ছুটি শেষ হওয়ার আগেই ফেব্রুয়ারিতে বিনা বেতনে আরও এক বছরের ছুটি চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন সামিয়া। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এই ছুটি অনুমোদন করেনি। এরপর ৩১ মার্চ সামিয়া রহমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগাম অবসর চেয়ে আবেদন করেন৷ গত ২৬ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সামিয়াকে আগাম অবসরের অনুমতি দেয়৷

সান নিউজ/কেএমএল

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা