সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জে পুলিশ-বিএনপির সংর্ঘষ, আহত অর্ধশতাধিক

মো. নাজির হোসেন, মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জ পুলিশ-বিএনপির ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘন্টাব্যাপী সংর্ঘষে শহরের উপকন্ঠ মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়।

আরও পড়ুন: প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান

এ সময় উভয় পক্ষ ইটপাটকেল, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ২০/২৫ জন পুলিশ, ৩ সাংবাদিক, বিএনপি নেতকার্মীসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।

বুধবার (২১সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাড়ে ৩ টা থেকে সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সদর উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ শহর ও মিরকাদিম পৌর-বিএনপি শহরের উপকন্ঠ মুক্তারপুর এলাকার পুরাতন ফেরীঘাট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। পুলিশ ওই স্থানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল। বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে মুক্তারপুর পুরাতন ফেরীঘাট এলাকায় আসতে শুরু করে।

আরও পড়ুন: প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান

এ সময় পুলিশ মিছিলে বাঁধা দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে চারদিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। প্রান বাঁচাতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুন্সীগঞ্জ সার্কেল) মো.মিনহাজ উল ইসলাম, সদর থানার (ওসি) তারিকুজ্জামান, সদর থানার (ওসি অপারেশন) মুজাম্মেল হোসেন, সমকালের মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি কাজী সাব্বির আহম্মেদ দীপু, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি গোলজার হোসেন, সাংবাদিক মো. রুবেলসহ ৫০ জন আহত হয়েছে।

এর মধ্যে বিএনপির অজ্ঞাত এক কর্মীর আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেখা গেছে। আহত পুলিশ সদস্যদের মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে সদর থানা (ওসি অপারেশন) মুজাম্মেল হোসেনের অবস্থা গুরুতর।

আরও পড়ুন: কুনিও হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এক নেতা বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচী পালন করতেছিলাম। বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতা কর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসলে পুলিশ নেতা কর্মীদের কাছ হতে ব্যানার ছিনিয়ে নেয় এবং লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে সংর্ঘষ বেঁধে যায়। আমাদের ৫০ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

সদর থানার (ওসি) তারিকুজ্জামান বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন দেশি অস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর হামলা করে। এতে আমাদের ২০/২৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। আমাদের অনেক গুলো সরকারি গাড়ি, মটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: কুনিও হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

তিনি আরও বলেন, আমরা মিটিং মিছিল হলে, শান্তিপূর্নভাবে যাতে হয়। তার জন্য অবস্থান করি। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা হঠাৎ করে পুলিশের উপর হামলা করে। তারা রাস্তার পাশের ইট পাটকেল নিয়ে ঢিল ছুঁড়তে শুরু করে। পুলিশ আতৎরক্ষার্থে পরে টিয়ারশেল গুলি ছোড়ে। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সান নিউজ/এনকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা