সারাদেশ

মেয়র প্রার্থীসহ ১২ জনের নেই শিক্ষাগত যোগ্যতা

নিজস্ব প্রতিনিধি, দিনাজপুর : দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৪ জন মেয়র প্রার্থী, ৩২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সংরক্ষিত আসনে ১৬ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা সূত্রে দেখা গেছে, মেয়র পদে একজনসহ ১১ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর নিরক্ষর।

বিরামপুর নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী নিরক্ষর প্রার্থীরা হলেন- মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আজাদুল ইসলাম আক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন। সাধারণ কাউন্সিল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ১ নং ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নান, ২ নং ওয়ার্ডের তাজফার আলী, ৩ নং ওয়ার্ডের মো. শাহজাহান মন্ডল, মো. রবিউল ইসলাম, ৫ নং ওয়ার্ডের শওকত আলী, ৬ নংওয়ার্ডের মো. আমিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, ৮নং ওয়ার্ডের সাখায়াত হোসেন, ৯ নং ওয়ার্ডের আজহার আলী মন্ডলের নেই শিক্ষাগত যোগ্যতা। সংরক্ষিত আসানের নারী কাউন্সিল পদে ৪, ৫, ৬ নং ওয়ার্ডের আনোয়ারা বেগম, ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মোছা. প্রিয়ারও কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই।

নির্বাচন কমিশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামায় আরো দেখা গেছে, ৫২ প্রার্থীর মধ্যে ৩য় শ্রেণি পাশ রয়েছেন একজন, ৫ম শ্রেণির ৫ জন, ৮ম শ্রেণির ১১ জন, এসএসসি ও সমমানের পাস রয়েছেন ৫জন, এইচএসসি পাস রয়েছেন ৭ জন, স্নাতক পাস রয়েছেন ৭ জন, এবং মাস্টার্স পাস রয়েছেন একজন।

মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের মধ্যে সবচেয়ে শিক্ষিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আক্কাস আলী। তিনি মাস্টার্স পাস। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবির স্নাতক পাস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান সরকার এলএলবি (অনার্স পাস)।

শিক্ষায় এগিয়ে নারী প্রার্থীরা- বিরামপুর নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে সংরক্ষিত ৩ টি আসনে ১৬ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে মাত্র দুই জন প্রার্থী নিরক্ষর। যেখানে ৩২ জন পুরুষ কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনই নিরক্ষর।

এছাড়াও একজন মেয়র প্রার্থীসহ ২০ জন সাধারণ কাউন্সিল প্রার্থীর পেশা কৃষি, ১০ জনের ব্যবসা, একজনের শিক্ষকতা, একজনের কোন পেশা নেই। মেয়র পদের অন্য তিন প্রার্থীর মধ্যে একজন আইনজীবি, একজন শিক্ষক একজন ব্যবসায়ী।

নারী কাউন্সিলর পদের ১৬ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনই গৃহিনী। একজনের পেশা কৃষি আরেকজনের ব্যবসা।

বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আরমান হোসেন জানান, শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। তাই জাতিকে, দেশকে এগিয়ে নিতে জনপ্রতিনিধিদের শিক্ষিত হওয়া অবশ্যই বাঞ্চনীয়।

বিরামপুর পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ১৬ জুন পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণিতে উন্নিত হয় ২০০৬ সালের ২৪ জুন।

বিরামপুর নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সামছুল আযম জানান, ১৬ জানুয়ারি বিরামপুর পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পৌরসভায় মোট ভোটার ৩৬ হাজার ৭৪৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১৭ হাজার ৯৭৪ জন এবং নারী ভোটার ১৮ হাজার ৭৭৪ জন।

সান নিউজ/এএসএমএ/কেটি

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা