ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশ

ধেয়ে আসছে রেমাল, উপকূলে আতংক

নিনা আফরিন, পটুয়াখালী: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করায় সেখানকার মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন: লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ

রোববার (২৬ মে) সকাল থেকে পটুয়াখালীতে দমকা ঝড়ো হাওয়া সাথে বইছে বৃষ্টি। বৃষ্টিতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। এদিকে বিরামহীনভাবে মাইকিং করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাবার ঘোষণা দিচ্ছে সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকরা।

পায়রা বন্দরের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান জানান, বন্দরের সকল জলযান ও সম্পদ ইতিমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বন্ধ রয়েছে বন্দরের সকল কার্যক্রম। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় একাধিক টিম গঠন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পটুয়াখালীর অভ্যন্তরীণ সকল রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলগুলোর আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যা দূর্গতরা আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। জেলায় মোট ৭০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩৫টি মুজিব কিল্লাসহ শতাধিক প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডেও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন জানান, বিভিন্ন পয়েন্টে ১০ কিলোমিটারের মতো বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তৃর্ন এলাকা প্লাবিত হতে পারে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী মেরামতের জন্য ৬০০ বস্তা জিও ব্যাগ ও লোকবল প্রস্তুত রেখেছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার দূর্গত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সন্ধ্যা নাগাদ অর্ধলক্ষ লোক আশ্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন তিনি।

আরও পড়ুন: বেড়িবাঁধ ভেঙে পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম জানান, প্রতিটি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রে লোক আসতে শুরু করেছে। দুপুর একটা পর্যন্ত ২৫-৩০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছে। সন্ধ্যা নাগাদ লক্ষাধিক লোক আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসবে।

দূর্গত এলাকার লোকদের স্বেচ্ছাসেবক, ইউপি সদস্য, চৌকিদার ও সমাজকর্মীদের মাধ্যমে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার কাজ চালানো হচ্ছে। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য সরকারের তরফ থেকে খাবারের ব্যবস্থা হচ্ছে।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা