ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশ

পাহাড়ে ৩ দিনব্যাপী বৈসাবি উৎসব শুরু

জেলা প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে ৩ দিনব্যাপী বৈসাবি উৎসব শুরু হয়েছে। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১৪টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।

আরও পড়ুন: নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বৈসাবি উৎসবের প্রথম দিন শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকালে কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানো হয়। এটি চাকমাদের বিজু, মারমাদের সাংগ্রাই ও ত্রিপুরাদের বৈসুক উৎসব নামেও পরিচিত। ত্রিপুরারা ফুল ভাসানোর পাশাপশি বয়স্ক স্নান ও বস্ত্র বিতরণ করে এ উৎসবে। সেই সঙ্গে চলে পাহাড়ী ঐতিহ্যবাহী নৃত্যগীত।

সকাল থেকে পাহাড়ী নারীরা বাগান থেকে ফুল সংগ্রহ করে একে একে চলে আসে কাপ্তাই হ্রদে। সৃষ্টিকর্তার আর্শিবাদ প্রার্থনা করে কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে পানিতে ফুল ভাসিয়ে দেয় তারা। এ সময় ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে এ ফুল ভাসানোর উৎসবে অংশ নেন পাহাড়ি মানুষ।

রাঙ্গামাটির গর্জনতলীতে ফুল ভাসিয়ে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বৈসুক উৎসবের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এমপি দীপংকর তালুকদার।

আরও পড়ুন: পহেলা বৈশাখের আগে ইলিশের দাম চড়া

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ঝিনুক ত্রিপুরা, ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা প্রীতি কান্তি ত্রিপুরা, জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জেলার কাপ্তাইয়ে তঞ্চঙ্গ্যাদের বিষু উৎসবে যোগ দেন সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা। উৎসবের প্রথম দিনকে চাকমারা ফুল বিজু , ত্রিপুরারা বৈসুক ও তঞ্চঙ্গ্যারা ফুল বিষু নামে পালন করছে।

জেলা শহর ছাড়াও রাঙ্গামাটির ১০ উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরাও একই ভাবে পালন করছে বৈসাবির দিনব্যাপী উৎসব।

রাঙ্গামাটি বৈসাবি উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার বলেন, বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে সকালে রাজবাড়ী ঘাটে কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সুচনা করেছি।

আরও পড়ুন: টেকনাফ সীমান্তে ফের গোলাগুলি

পুরাতন বছরের গ্লানি ভুলে ভবিষ্যতে সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায় আমরা সকলে প্রার্থনা করেছি। আগামী বছরগুলোতে যেন বিশ্বের সকল মানুষ ভালো থাকে এবং পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেতুবন্ধন সুদৃঢ় থাকে, এটাই সকলের প্রত্যাশা।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) মুল বিজু পালিত হবে। ঐতিহ্যবাহী পাঁজন রান্না করে অতিথি আপ্পায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মুল বিজুর আনুষ্ঠানিকতা। রোববার (১৪ এপ্রিল) পালিত হবে গোজ্যেপোজ্যে।

আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল রাঙ্গামাটি চিং হ্লা মং মারি স্টেডিয়ামে মারমাদের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলোৎসবের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে বৈসাবি উৎসবের।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ঈদের পরে পর্যটন কেন্দ্রের হালহাকিকাত

বিনোদন প্রতিবেদক: রমজান মাসে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রায় সুনসান নীরব...

বিমসটেক সম্মেলনের পথে প্রধান উপদেষ্টা

সান ডেস্ক: এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ...

সমাজে এখনও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এ...

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসে...

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা